জাভেদ হাবিবের বিরুদ্ধে ভয়ানক অভিযোগ, মাথায় থুতু ছিটিয়ে কাটলেন মহিলার চুল

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: জনপ্রিয় হেয়ারস্টাইলিস্ট Jawed Habib-এর বিরুদ্ধে ভয়ানক অভিযোগ। স্টাইলের নামে মাথায় থুতু ছিটিয়ে মহিলার চুল কাটছেন জনপ্রিয় হেয়ারস্টাইলিস্ট জাভেদ হাবিব। করোনাকালে তাঁর বিরুদ্ধে এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছেন এক মহিলা। শুধু তাই নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হাবিবের থুতু ছিটিয়ে চুল কাটার ভিডিয়ো। ঘটনাটি ঘটেছে মুজফরনগরে জাভেদ হাবিবের ওয়ার্ক শপে।

এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক শোরগোল নেটদুনিয়ায়। Jawed Habib-কে ব্যান করার দাবি তুলেছে নেটিজেনদের একাংশ। ঘটনাটি নজরে আসতে পদক্ষেপ National Commission for Women (NCW)-এর। উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আর্জি জানিয়েছে কমিশন। একইসঙ্গে দিল্লির পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্থানাকে এই বিষয়ে পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন।

বিখ্যাত হেয়ারস্টাইলিস্টের কাছে সাজতে চেয়েছিলেন বাগপতের তরুণী পূজা। কিন্তু তার জন্য যে এমন ভয়াবহ ঘটনার স্বীকার হতে হবে তা বোধহয় স্বপ্নেও ভাবেননি তিনি। তরুণী জানিয়েছেন। চুল কাটতে গিয়ে হাবিব তাঁর চুলে রীতিমতো থুতু ছিটিয়েছেন! এমন ব্যবহারে হতভম্ব তরুণী বিস্ময়ের ঘোর কাটিয়ে প্রতিবাদ জানালে হেয়ার স্টাইলিস্ট দাবি করেন, তাঁর থুতুতে নাকি প্রাণ আছে! যা চুলের পক্ষে ভালো। গোটা ঘটনার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেই চূড়ান্ত ভাইরাল। বিখ্যাত স্টাইলিস্টের Jawed Habib Spitting- এর Viral Video দেখে ঘেন্নায় শিউরে উঠেছেন নেটিজেনরাও।

এমন অভিজ্ঞতার পর তরুণী জানিয়েছেন, এরপর তিনি রাস্তার পাশে নাপিতের থেকেও চুল কাটতে রাজি। কিন্তু, জীবন থাকতে আর জাভেদ হাবিবের কাছে যাবেন না।

এর আগেও এক ভাইরাল ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছিল থুতু দিয়ে রুটি বানাচ্ছেন এক শেফ। তবে, লুকিয়ে লুকিয়ে নয়, একেবারে প্রকাশ্যে ৷ সঙ্গে গোটা কাণ্ডটির ভিডিয়ো করে ছেড়ে দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ব্যাস, ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই হইচই পড়ে যায় নেট পাড়ায়। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মেরঠে। ভিডিয়োতে দেখা যায় মেরঠের এক বিয়েবাড়িতে, তন্দুর রুটি বানানোর সময় বারবার থুতু লাগিয়ে দিচ্ছিল এক যুবক। ভিডিয়োটি ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। এখনও মারণ ভাইরাসের হাত থেকে নিস্তার মেলেনি। এই অবস্থায় বিয়েবাড়ির অতিথিদের এমন বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়ার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় গালমন্দ শুনতে হয় ওই রাঁধুনিকে। তার এই অবিবেচকের মতো কাজ শোরগোল ফেলে দেয় টুইটারে।