“মাছ ধরো” প্রতিযোগীতায় চাঁচলে গ্রেফতার বিজেপি নেতা

উজির আলী,চাঁচলঃ ২৩ জুন

মাছ ধরা বিতর্ক জমেছিল মালদার চাঁচলে।
আর এই মাছ ধরা বিতর্ককে ঘিরে রাজনৈতিক ছাপ পরেছিল চাঁচলের থানা পাড়ায়।
উল্লেখ্য গত কয়েকদিন আগে বেহাল কর্দমাক্ত কঙ্কালসার থানাপাড়ার রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় প্রতিবাদে সরব হয়ে রাস্তার জমে যাওয়া জলে মাছ ধরার প্রতিযোগিতার আয়োজন করে মঙ্গলবার গ্রেফতার হলেন চাঁচলের বিজেপি নেতা প্রসেনজিৎ শর্মা।

আর এই বিজেপি গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের হওয়ায়
এদিন জামিন পেলনা তরুন বিজেপি নেতা প্রসেনজিৎ শর্মা।

পাম্প সেট থেকে রাস্তায় জল ফেলে মাছ ধরার প্রতিযোগিতার আয়োজনকে ঘিরে বিবাদের জেরে বিজেপি নেতা প্রসেনজিত শর্মা তৃণমূলের এক গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যকে খুনের চেষ্টা করেন বলে মামলা দায়ের করা হয়েছে চাঁচল থানায়।

ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে চাঁচল বিজেপি। পুলিশের বিরুদ্ধে বিরোধভাবাপন্নের অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামা হবে বলে হুঙ্কার চাঁচল বিজেপি নেতৃত্বের।
বিরোধভাবাপন্নের অভিযোগ অপলাপ করে চাঁচল থানার আইসি সুকুমার ঘোষ জানান,আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।
চাঁচল সদরের থানাপাড়ার কঙ্কালসার রাস্তা যেন পাকা হয় সেই উদ্দেশ‍্যে গত বুধবার মাছ ধরার প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন বাসিন্দায়।
অংশগ্রহন করেছিলেন বহু স্থানীয় ও মহিলা পুরুষরাও।

অভিযোগ,বাড়ির পাম্পসেট থেকে রাস্তায় জল ফেলেন বিজেপি নেতা প্রসেনজিত। ঘটনার জের, বাড়িতে চড়াও হয়ে প্রসেনজিতকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে তিন তৃনমূল নেতার বিরুদ্ধে।

তবে এক গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যকেও মারধর করেন প্রসেনজিৎ বলে অভিযোগ দায়ের হয়েছে থানায়।পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার গ্রেফতার হন প্রসেনজিৎ শর্মা।
পুলিশ তো তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে। সাধারণ মানুষের জন‍্য বেহাল রাস্তার সংস্কার নাও হওয়ায় মাছ ধরা প্রতিযোগীতায় হাজির হওয়ার পর প্রসেনজিৎকেই প্রহার করেন। আর পুলিশ ওকেই পাকড়াও করল। এবং তার ফরিয়াদকে কদর দেওয়া হল না পুলিশের তরফে। এমনটাই দাবী করলেন বিজেপির জেলা সম্পাদক দীপঙ্কর রাম।