দুই পাহাড়ের গল্প শুনেছেন কখনও! কিরিবুরু ও মেঘাহাটুবুরু এই কলকাতা থেকে কয়েকশো কিলোমিটার দূরেই দাড়িয়ে তারা

নিজস্ব সংবাদদাতা : দুই পাহাড়ের গল্প শুনেছেন কখনও! এই কলকাতা থেকে দুই পাহাড়ের গল্প শুনেছেন কখনও! এই কলকাতা থেকে কয়েকশো কিলোমিটার দূরেই দাড়িয়ে তারা। পাশাপাশি দিব্যি আছে কিরিবুরু (Kiriburu) ও মেঘাহাটুবুরু (Meghahatuburu)। সবুজের রাজত্বে অধিকার তাদের। যেখানে গেলে মুগ্ধতা ছড়িয়ে যাবে সারা শরীরে।

ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম এলাকায় অবস্থিত এই দু’টি পাহাড়। শোনা যায়, স্থানীয়দের কাছে ‘কিরি’ শব্দের অর্থ হাতি। তাই এই পর্বতকে অনেকে বন্যপ্রাণীদের নিরাপদ বাসস্থান হিসেবে উল্লেখ করেন। আবার ‘মেঘাটু’ শব্দটি মেঘ থেকে নেওয়া। অর্থাৎ এই ‘বুরু’ অর্থাৎ পাহাড়ে মেঘের আনাগোনা লেগেই থাকে।কিরিবুরুর ভিউ পয়েন্ট থেকে আশপাশের গোটা উপত্যকা দেখা যায়। সবুজের সেই রাজত্ব এই বর্ষাকালে আপনাকে মুগ্ধ করবে। একেবারে প্যানোরমিক ভিউ দেখতে পাবেন।
মেঘাটুবুরু যাবেন সূর্যাস্তের সময়। সে যেন এক স্বর্গীয় অনুভূতি। পাহাড়ের উপরে দাঁড়িয়ে লাল সূর্য দেখে মন প্রশান্তিতে ভরে যাবে।
দুই পাহাড়ে আরও অনেক কিছু দেখার রয়েছে। ছোট ছোট জলপ্রপাত হয়েছে। রয়েছে এঁকে বেঁকে বয়ে চলা জলের স্রোত।
কাছেই আবার রয়েছে সারান্ডা জঙ্গল। কিরিবুরু থেকে মাত্র ৫৪ কিলোমিটার দূরে। একেবারে নিঝুম ও শান্ত। চাইলে জিন্দাল শিব মন্দির দর্শন করে নিতে পারেন। আবার মনোহরপুকুরও রয়েছে। কলকাতা থেকে কিরিবুরু ও মেঘাহাটুবুরুর দূরত্ব প্রায় চারশো কিলোমিটার। হাওড়া থেকে টাটানগরের যেকোনও ট্রেন ধরবেন। টাটানগর থেকে কিরিবুরু যাওয়ার বাস পেয়ে যাবেন। আর গাড়িতে যেতে গেলে জিপিএস অন করে নেবেন। পথের শোভা দেখতে দেখতে দিব্যি পৌঁছে যাবেন গন্তব্যে। সারা বছরই ঝাড়খণ্ডের এই জোড়া পাহাড়ের দেশে যাওয়া যায়। আবহাওয়া সবসময়ই মনোরম থাকে। কোথায় থাকবেন? তা একেবারেই আপনার ব্যক্তিগত পছন্দ। একাধিক গেস্ট হাউস রয়েছে। খুঁজলে পেয়ে যাবেন রিসর্টও। কয়েকশো কিলোমিটার দূরেই দাড়িয়ে তারা। পাশাপাশি দিব্যি আছে কিরিবুরু (Kiriburu) ও মেঘাহাটুবুরু (Meghahatuburu)। সবুজের রাজত্বে অধিকার তাদের। যেখানে গেলে মুগ্ধতা ছড়িয়ে যাবে সারা শরীরে।

ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম এলাকায় অবস্থিত এই দু’টি পাহাড়। শোনা যায়, স্থানীয়দের কাছে ‘কিরি’ শব্দের অর্থ হাতি। তাই এই পর্বতকে অনেকে বন্যপ্রাণীদের নিরাপদ বাসস্থান হিসেবে উল্লেখ করেন। আবার ‘মেঘাটু’ শব্দটি মেঘ থেকে নেওয়া। অর্থাৎ এই ‘বুরু’ অর্থাৎ পাহাড়ে মেঘের আনাগোনা লেগেই থাকে।কিরিবুরুর ভিউ পয়েন্ট থেকে আশপাশের গোটা উপত্যকা দেখা যায়। সবুজের সেই রাজত্ব এই বর্ষাকালে আপনাকে মুগ্ধ করবে। একেবারে প্যানোরমিক ভিউ দেখতে পাবেন।

মেঘাটুবুরু যাবেন সূর্যাস্তের সময়। সে যেন এক স্বর্গীয় অনুভূতি। পাহাড়ের উপরে দাঁড়িয়ে লাল সূর্য দেখে মন প্রশান্তিতে ভরে যাবে।

দুই পাহাড়ে আরও অনেক কিছু দেখার রয়েছে। ছোট ছোট জলপ্রপাত হয়েছে। রয়েছে এঁকে বেঁকে বয়ে চলা জলের স্রোত।

কাছেই আবার রয়েছে সারান্ডা জঙ্গল। কিরিবুরু থেকে মাত্র ৫৪ কিলোমিটার দূরে। একেবারে নিঝুম ও শান্ত। চাইলে জিন্দাল শিব মন্দির দর্শন করে নিতে পারেন। আবার মনোহরপুকুরও রয়েছে। কলকাতা থেকে কিরিবুরু ও মেঘাহাটুবুরুর দূরত্ব প্রায় চারশো কিলোমিটার। হাওড়া থেকে টাটানগরের যেকোনও ট্রেন ধরবেন। টাটানগর থেকে কিরিবুরু যাওয়ার বাস পেয়ে যাবেন। আর গাড়িতে যেতে গেলে জিপিএস অন করে নেবেন। পথের শোভা দেখতে দেখতে দিব্যি পৌঁছে যাবেন গন্তব্যে। সারা বছরই ঝাড়খণ্ডের এই জোড়া পাহাড়ের দেশে যাওয়া যায়। আবহাওয়া সবসময়ই মনোরম থাকে। কোথায় থাকবেন? তা একেবারেই আপনার ব্যক্তিগত পছন্দ। একাধিক গেস্ট হাউস রয়েছে। খুঁজলে পেয়ে যাবেন রিসর্টও।