CFI জাতীয় সভাপতি এমএস সাজিদের বিরুদ্ধে মামলা ভারতীয় সেনার বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক টুইটের জের

 

    নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক : দেশের সরকার একটার পর একটা সংবিধান বিরোধী, দেশ বিরোধী আইন নিয়েই চলে আসছে, বিশেষজ্ঞদের মতে সরকারের এই সমস্ত আইন মূলত দেশের সংখ্যালঘু জাতিকে টার্গেট করে নিয়ে আনা হচ্ছে। সরকারের এই সমস্ত আইনের বিরুদ্ধে যে বা যারাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে তাদের একের পর এক গ্রেফতার করে নেওয়া হয়েছে। CAA বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করা হাজার হাজার ছাত্রদের গ্রেফতার করে নেওয়া হয়েছে, দেশের বিশিষ্ট সমাজকর্মীদের গ্রেফতার করে নেওয়া হয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে কেও একাই একাই দলবধ্য হয়ে আন্দোলন করেছে কেও সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে আন্দোলন করে গেছে।

    দেশের বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে ছাত্রদের একটা সংগঠন আছে ক্যাম্পাস ফ্রন্ট ইন্ডিয়া CFI নামের এই সংগঠন। দেশের যাবতীয় সমস্যাই সামনে দাঁড়িয়ে সরকারের বিরোধিতা করে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীরে ভয়াবহ নির্যাতন চলছে এই নির্যাতনের দিকে তাকিয়ে গত ৮ তারিখ এই ক্যাম্পাস ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার জাতীয় সভাপতি এমএস সাজিব বিন সৈয়দ একটি টুইট করে, ওনার সেই টুইটের উপর দিল্লির কাপাশেরা পুলিশ স্টেশনে একটি এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানান দিল্লী পুলিশ।

    সাজিব বিন সৈয়দ ৮ তারিখ সেই টুইটে লেখেন – RSS এর নির্দেশে কাশ্মীরে গণহত্যা চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। বিজেপি সরকার উচিত অবিলম্বে ক্ষমতা দখলের মনোভাব ছেড়ে রাষ্ট্রসংঘ যে কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে তাকে মান্যতা দেওয়া। বর্তমানে কাশ্মীরে যা চলছে তাতে আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলিরও এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা উচিত।

    কেন্দ্রের বিজেপি সরকার কাশ্মীরিদের ঐতিহ্যকে ধ্বংস করতে চাইছে বলেও অভিযোগ করে CFI জাতীয় সভাপতি সাজিব বিন সৈয়দ । তার কথায় বর্তমানে বিশ্বের সবথেকে বেশি সেনা কাশ্মীরেই মোতায়েত করা হয়েছে। প্রতিদিন সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনেরও ঘটনা ঘটছে। আসলে ইজরায়েল যেমন প্যালেস্তাইনকে দখল করার চেষ্টা চালাচ্ছে তেমনি কাশ্মীরের ঐতিহ্যকে ধ্বংস করে তা দখল করার চেষ্টা করছে কেন্দ্র। তবে ইজরায়েল যেমন নিজেদের লক্ষ্যপূরণ করতে পারেনি এখানেও একই ঘটনা ঘটবে।