চড়ুইভাতির ক্ষেত্র হিসেবে জনপ্রিয়তার শিখরে জঙ্গীপুরের সুভাষদ্বীপ

নিজস্ব সংবাদদাতা, নতুন গতি, জঙ্গীপুর: করোনা আবহ কাটিয়ে নতুন আমেজ নিয়ে নতুন বছরে পদার্পণ। আর সেই খুশির আবেগে মেতে উঠেছে গোটা বিশ্ব। বাদ যায়নি সারা দেশ সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা। মহামারীর ভয় কাটিয়ে চড়ুইভাতির আনন্দে মেতে উঠেছে গোটা উত্তরবঙ্গ। যেমন মেতেছে দার্জিলিং-গ্যাংটক, গৌড়-আদিনা-পান্ডুয়া ঠিক তেমনই সেজে উঠেছে মুর্শিদাবাদ জেলার হাজারদুয়ারী আর নেতাজী সুভাষদ্বীপ। অধিকাংশ জায়গাগুলোতে ভীড় এড়াতে প্রশাসনিক তরফ থেকে চড়ুইভাতি রান্নার নিষেধ থাকার কারনে ভ্রমনকারীদের নজর কেড়েছে ভাগীরথীর ধারে অবস্থিত জঙ্গীপুরের নেতাজী সুভাষদ্বীপ। মুর্শিদাবাদ তো বটেই আশেপাশের জেলাগুলো থেকেও প্রতিদিন হাজারো লোক জমায়েত করে আনন্দে মেতে উঠছে। মোট ৬৮ একর চরের উপরে গড়ে ওঠা হাজারো গাছপালা দিয়ে পরিবেষ্টিত সুভাষ দ্বীপ শহরের পাশে হলেও প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশ, ভাগীরথীর সৌন্দর্য্য, আর ফুল-গাছপালা দিয়ে সাজানো হয়েছে। বাচ্চাদের জন্যে রয়েছে শিশুদ্যান, ফোয়ারা পার্ক তেমনি পর্যটনকারীরা নৌকা নিয়ে বেরিয়ে পড়ছে ভাগীরথীর বুকে।

পুরো মুর্শিদাবাদ সহ বর্ধমান, মালদা, দিনাজপুরের পর্যটকদের আনাগোনাও চোখে পড়ার মতো। বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, টিউশন সেন্টার, ফ্যামিলি চড়ুইভাতির পাশাপাশি এদিন দেখা গেলো মালদা জেলার নয়মৌজা হাইস্কুলের মাধ্যমিক ২০০৮ সালের মিশন মিলাপ টিমকে। সুদুর সুজাপুর থেকে বাসভর্তি বন্ধু বান্ধবীদের ১১ বছর পরে একত্রিত হয়ে আনন্দে মেতে উঠতে দেখা গেলো। দীর্ঘকাল পরে সকলে মিলে আনন্দে মেতে উঠতে দেখা গেলো। চারিদিকে বিরিয়ানী আর সুস্বাদু মাংসের সুগন্ধে মাতোয়ারা পরিবেশ।

ভাগীরথী কেন্দ্রে গড়ে ওঠা সুভাষদ্বীপ খুব শীঘ্রই মুর্শিদাবাদের দ্বিতীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসাবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে বলে খুশিতে গোটা জঙ্গীপুর পৌরসভার জনগন।