| |
|---|
নুরউদ্দিন:মথুরাপুর: কখনো দিন মৎস্যজীবীদের পাশে, কখনো গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে। কখনো শীতের কনকনে ঠান্ডায় শীতবস্ত্র নিয়ে হাজির, আবার কখনো চাষিদের হাতে তুলে দিচ্ছেন আধুনিক চাষের যন্ত্র। এভাবেই নিরবচ্ছিন্নভাবে মানুষের পাশে থেকে কাজ করে চলেছেন মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদার।লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার পর থেকেই সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখকে নিজের জীবনের অংশ করে নিয়েছেন তিনি। জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর শুধু সংসদের কাজেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং সুন্দরবনের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে নদীবাঁধ ঘেরা এলাকার সাধারণ মানুষের জীবনের বাস্তব সমস্যার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেছেন।
মৎস্যজীবীদের জীবিকা রক্ষায় বিভিন্ন সময়ে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সাংসদ বাপি হালদার। কখনো দুর্যোগের সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, আবার কখনো তাঁদের কাজের সুবিধার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান করেছেন। একইভাবে কৃষকদের উন্নতির কথাও ভাবেন তিনি। চাষের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি প্রদান করে কৃষকদের স্বনির্ভর করার উদ্যোগ নিয়েছেন বারবার।
শুধু একটি শ্রেণির মানুষের জন্য নয়-গরিব, অসহায়, দিনমজুর, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা থেকে শুরু করে ছাত্রছাত্রী সকলের জন্য তাঁর দরজা খোলা। শীতের সময় শীতবস্ত্র দান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ বিতরণ কিংবা অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার জন্য সহায়তা-সব ক্ষেত্রেই তাঁকে সক্রিয় ভূমিকায় দেখা গেছে।
আজ তাঁর ৩৯তম জন্মদিন উপলক্ষে তাঁকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, একজন মানবিক মানুষ হিসেবেই তিনি সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। রাজনীতিকে মানুষের সেবার মাধ্যম হিসেবে যিনি গ্রহণ করেছেন, তাঁর এই সামাজিক দায়বদ্ধতা আগামী দিনেও আরও শক্তিশালী হবে-এই আশা রাখি।
মানুষের পাশে থাকা, মানুষের কথা ভাবা এবং মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়াই যে প্রকৃত রাজনীতি-সাংসদ বাপি হালদার বারবার তা প্রমাণ করে চলেছেন। তাঁর সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও কর্মময় জীবনের কামনায় রইল আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা।


