| |
|---|
আলিফ ইসলাম:মেমারি: ১৪ জুলাই: পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের সুলতানপুরের কমিউনিটি সেন্টারের হলঘরে রবিবার ১৪ জুলাই বিকাল সাড়ে তিনটা থেকে প্রায় সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হল আষাঢ়ে আড্ডা। কবিতা,গান,নাচ, আবৃত্তি,গুরু গম্ভীর বক্তব্য, জ্ঞান ও উপদেশ মূলক আলোচনা ব্যতিরেকে একটা খোলামেলা ঘরোয়া আলোচনা ও আড্ডায় মেতে ওঠা যায় তা গত ছয় বছরের মতো এবারও দেখিয়ে দিলেন স্ট্রীটলাইটস পত্রিকার সম্পাদক অর্ঘ্য বসু এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দীপান্বিতার সম্পাদক তন্দ্রা বসু। মাতা ও পুত্রের যুগলবন্দীতে প্রায় পঞ্চাশ জন উপস্থিত হয়েছিলেন এই মহতী আড্ডায়। যদিও আষাঢ় মাস, বর্ষাকাল তবু প্রায় বৃষ্টি হীন গরমের দুপর কে উপেক্ষা করে একে একে ডাঃ অভয় সামন্ত, শুভাশিস মল্লিক, পার্থ বসু, সুদীপ্ত মন্ডল, সুফি রফিক উল ইসলাম, ব্রততী ঘোষ আলি, সুনন্দা মালাকার, অপূর্ব সু, স্বদেশ বসু, অনিকা ঘোষ, আলপনা মিত্র, তাপসী বোস, দীপা ঘোষ, মৌসুমী চ্যাটার্জী, নিরুপমা মন্ডল, নিবেদিতা সরকার, নীলিমা চ্যাটার্জী,অনুভা দত্ত, বীথিকা দত্ত,সাগিরা বেগম, সায়ক মজুমদার, অনিমেষ ঘোষ,বিক্রম ধীর, কুশল রায়,পরমানন্দ মন্ডল, দীপ্ত পাল প্রমুখ উপস্থিত হয়ে এই আষাঢ়ে আড্ডায় অংশগ্রহণ করে খোলামেলা ঘরোয়া আলাপ আলোচনায় একাত্ম হয়ে যান। বিশেষ ভাবে ব্রততী ঘোষ আলি, নীলিমা চ্যাটার্জী,পার্থ বসু, সুদীপ্ত মন্ডল এবং স্বদেশ বসুর বক্তব্য সমৃদ্ধশালী ও মনোগ্ৰাহী হয়ে ওঠে। অবশ্যই আষাঢ়ে আড্ডার কর্ণধার তথা অনুষ্ঠান সঞ্চালক অর্ঘ্য বসুর সুচারু সঞ্চালনা ও সময়োপযোগী বিশ্লেষণ এই আড্ডা কে অন্য মাত্রা যোগ করে দেয়। অভূতপূর্ব ও অনাড়ম্বর এই আড্ডায় সভাপতি অথবা অতিথির কোন বিশেষ উপস্থিতি ছিল না। তবে আড্ডা কে অনুষ্ঠানের মাত্রা দেওয়ার জন্য মেমারির চারজন ব্যক্তিত্ব কে মঞ্চাসীন করা হয়। এঁরা হলেন চিকিৎসক-কবি ও সংস্কৃতি প্রেমী ডাঃ অভয় সামন্ত, স্বনামধন্য বিশিষ্ট গল্পকার ও নাট্যকার শুভাশিস মল্লিক, দীপান্বিতার কর্ণধার ও কবি তন্দ্রা বসু এবং কলমের মুখ পত্রিকার সহ-সম্পাদক, সাংবাদিক, কবি ও ক্রীড়া নিবন্ধকার সুফি রফিক উল ইসলাম। আষাঢ়ে আড্ডা বিগত ছয় বছরে একবার করেই হয়েছে তবে এবার থেকে আগামী তে বছরে দুইবার করে অনুষ্ঠিত হোক— এই আবেদন আড্ডা থেকে উঠে আসে। হয়তো বা আষাঢ়ে আড্ডার এ ও এক বিরাট প্রাপ্তি যোগ।


