| |
|---|
সঞ্জয় মন্ডল, বাঁকুড়া : আজ থেকে বছর ছয়েক আগের ঘটনা।পখন্না গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধাকান্ত পুর মৌজায় , দূর্গাপুর বিষ্ণুপুর রাজ্য সড়কের পাশে একটি মঠের মত জায়গায় এলাকার কিছু ছেলে ক্রিকেট খেলছিল। খেলতে খেলতে জোরে ব্যাট করার কারণেই বলটা একটু দূরে গিয়ে পড়ে।বলটা আনতে গিয়ে ছেলে গুলোর নজরে আসে একটা পাথর যেটা দেখতে শিবলিঙ্গের মত, মাটির থেকে কিছুটা উপরের দিকে উঠে আছে।স্বাভাবিক ভাবেই ছেলেগুলোর মনে কৌতূহল জাগে।তারা এলাকায় বড়দের বিষয় টা জানায়।এলাকার বয়স্ক ব্যক্তিরা এসে ভালো করে দেখে বুঝতে পারেন যে পাথর টি নিছক কোনো সাধারন পাথর নয় , সেটি একটি শিবলিঙ্গ। গোটা এলাকায় চাউর হয়ে যায় পাতাল থেকে মাটি ফুঁড়ে শিবলিঙ্গের প্রকাশ হয়েছে। রাতারাতি ফাঁকা মাঠ দেবতার পরশে ও মানুষের বিশ্বাসে দেব ভূমিতে পরিণত হয়। একটি টিনের শেড দিয়ে অস্থায়ী একটি মন্দির ও তৌরী হয়। সবটাই করে এলাকার একদম খেটে খাওয়া প্রান্তিক অংশের মানুষ জন। সেই থেকেই এলাকার মানুষের কাছে জায়গাটির বর্তমান পরিচিতি বাবা পাতালেশ্বর এর থান। অগণিত মানুষ প্রতিদিন নিজেদের মনস্কামনা জানিয়ে পূজো দিতে আসেন পাতালেশ্বর এর মাথায় জল ঢালতে। এলাকার বাসিন্দা দীপেন বাউরি জানান ” যখন থেকে বাবার প্রকাশ ঘটেছে তখন থেকেই শ্রাবণ মাসের প্রতিটি সোমবার প্রচুর মানুষ জল ঢালতে ভিড় জমায়।বিশেষ করে শ্রাবণের শেষ সোমবারে মানুষের ভীড় থাকে নজর কাড়া”। আজ ছিল শ্রাবণের শেষ সোমবার।মধ্য রাত থেকেই শুরু হয়েছে লম্বা লাইন।প্রতিটি মানুষ যাতে সুষ্ঠ ভাবে জল ঢালতে ও পুজো দিতে পারে সে ব্যপারে প্রশাসন সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয়। পখন্না পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নিজে দাঁড়িয়ে থেকে গোটা বিষয়টির উপর নজর রাখেন।


