চিকিৎসকদের পরামর্শ ফ্রিজের পরিবর্তে মাটির কুঁজোর জল ব্যবহারে

নিজস্ব সংবাদদাতা : সাধারণ মানুষের কাছে তৃষ্ণা নিবারণের জন্য গরমের দিনে ঠান্ডা জল খুবই প্রয়োজনীয়। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, ফ্রিজের ঠান্ডা জল সরাসরি পান করলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই ঠান্ডা জল পান করার জন্য মানুষজন বেছে নিচ্ছে তাদের প্রাচীন পন্থাকে। তার মধ্যে নব সংস্করণ হল, তাতে লাগানো একটি কল। হ্যাঁ, গরম পড়তে না পড়তেই মানুষজন স্বাস্থ্যকর ঠান্ডা জল পান করার জন্য মাটির কুঁজোর প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন।

মাটির পাত্রে আগাগোড়াই জল ঠান্ডা থাকে। মাটির কুঁজো বা মাটির কলসির চাহিদা একসময় থাকলেও মাঝে তার চাহিদা একদম কমে গিয়েছিল। অত্যাধুনিক যুগে যখন মানুষের হাতের কাছে কৃত্রিমভাবে সমস্ত জিনিসপত্র পৌঁছে যাচ্ছে, সেখানে পুরাতন সময়কালের জিনিসপত্রের কদর কমতে শুরু করেছিল। প্লাস্টিকের দাপটে বাজারে কমেছিল মাটির পাত্রের বিক্রি। কিন্তু আবারও প্রমাণ হয়ে গেল, ‘ওল্ড ইজ গোল্ড’। তবে তাতে অল্প আধুনিক সংস্করণ রয়েছে। পুরাতন কুঁজোগুলির মধ্যে লাগানো হয়েছে নতুন কল যাতে গ্রাহকদের জল পান করতে সুবিধা হয়।দোকানে উপস্থিত ক্রেতারা জানান, “বাড়ির বাচ্চা থেকে বয়স্ক সকলকেই সরাসরি ফ্রিজের ঠান্ডা জল পান করতে চিকিৎসকেরা বারণ করেছেন। কিন্তু গরমের দিনে একটু ঠান্ডা জল ছাতিতে গিয়ে না পৌঁছলে তৃষ্ণা নিবারণ হয় না। তাই ঠান্ডা জলের তাগিদে মাটির জ্বালা কিনতে এসেছি।”ওই দোকানেরই দোকান মালিক বলেন, মধ্যেখানে মাটির জিনিসপত্র বিক্রি একদম কমে গিয়েছিল। ইদানিং মাটির জ্বালার বা কুঁজোর জন্য তাদের বিক্রি একটু বেড়েছে। মাটির জিনিসপত্র দূর থেকে আমদানি করে নিয়ে এসে সেগুলো বিক্রি করতে হয়। তবে বিগত বছরের তুলনায় এই বছর মাটির জিনিসপত্র বিক্রি বাট্টা বেশ ভালো।