পুরনো দিনের সঙ্গে বদলে যাওয়া হাওড়া স্টেশনের দিনলিপি এবার যাত্রীদের সামনে তুলে ধরবে রেল আগামী ১৩ আগস্ট থেকে হাওড়া স্টেশনে শুরু হচ্ছে প্রদর্শনী

নিজস্ব সংবাদদাতা : রোজ ১৪ লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করেন হাওড়া স্টেশন দিয়ে। তাদের বেশির ভাগ যাত্রীই জানেন না, প্রথম হাওড়া স্টেশন কেমন ছিল। ১৮৪৯ সালে ডালহৌসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দায়িত্ব নিয়ে এসে ইস্ট ইন্ডিয়া রেল চালানোর পরিকল্পনা করেন। ১৮৫৪ সালের ১৫ আগস্ট প্রথম ট্রেন চলেছিল হাওড়া ও হুগলির মধ্যে। কেমন ছিল সে ইঞ্জিন? ১৯০৫ সালে পর্তুগিজ গির্জা স্থানান্তর করে সেখানে নতুন স্টেশন বিল্ডিং তৈরি হয়। কেমন ছিল সেই গির্জা? প্রথম ট্রেনের প্রথম শ্রেণির ভাড়া ছিল ৩ টাকা। কেমন দেখতে ছিল সেই টিকিট? কেমন ছিল কোচগুলি? পুরনো দিনের সঙ্গে বদলে যাওয়া হাওড়া স্টেশনের দিনলিপি এবার যাত্রীদের সামনে তুলে ধরবে রেল। আগামী ১৩ আগস্ট থেকে হাওড়া স্টেশনে শুরু হচ্ছে প্রদর্শনী।৭৫তম স্বাধীনতা (Independence Day 2022) উপলক্ষে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব পালন হচ্ছে দেশজুড়ে। এই প্রেক্ষিতে রেল এবার তাদের বদলে যাওয়া ধারা তুলে ধরতে চায় যাত্রীদের কাছে। হাওড়ার ডিআরএম মনীশ জৈন বলেন, পুরনো দিনের রেলের ছবির সঙ্গে পুরনো দিনে ব্যবহৃত নানা সামগ্রী নিয়ে এই প্রদর্শীর আয়োজন হবে হাওড়া স্টেশনে। যাত্রীদের সঙ্গে পড়ুয়ারাও জানতে পারবেন কীভাবে ক্রমান্বয়ে ট্রেন, ইঞ্জিন ও সরঞ্জাম বদলেছে সময়ের তালে। পুরনো ইতিহাসকে যাত্রীদের সামনে তুলে ধরাই রেলের উদ্দেশ্য।হাওড়া শহরতলির স্টেশনের পরিষেবা দেখে সন্তুষ্ট নয় রেলের স্বাচ্ছন্দ্য কমিটি হাওড়া শহরতলির বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রী পরিষেবা দেখে সন্তুষ্ট হতে পারল না প্যাসেঞ্জার অ্যামেনিটিজ কমিটির সদস্যরা। মঙ্গলবার বালি, উত্তরপাড়া, রিষড়া, ব্যান্ডেল ও চন্দননগরের যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়গুলি খতিয়ে দেখেন কমিটির পাঁচ সদস্য। কমিটির আহ্বায়ক অভিজিৎ দাস বলেন, পানীয় জলের সমস্যা অনেক স্টেশনে দেখা গিয়েছে। ফ্যান থাকলেও তা ঘোরে না, এ দৃশ্যও দেখা গিয়েছে। বসার জায়গা থেকে শৌচালয়ের সমস্যাও রয়েছে অনেক স্টেশনে। তবে চন্দননগর স্টেশনে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যে সন্তুষ্ট তারা। বলেন, স্টেশনটির পরিষেবামূলক সব কাজ ভাল।

 

আজও বেলুড় স্টেশন, বেলুড় মঠ ও হাওড়া স্টেশনের যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যমূলক ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন কমিটির সদস্যরা। এদিন বিকেলে হাওড়ার ডিআরএম-এর সঙ্গে বৈঠকে পরিষেবার উন্নতির সুপারিশ করবে কমিটি। পাশাপাশি যাত্রীদের তরফে বাড়তি ট্রেন চালানো ও স্টপেজ দেওয়ার দাবিও করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।