রথ যাত্রার মধ্য দিয়ে মিলন যাত্রার সূচনা মেমরিতে।

নূর আহমেদ, মেমারি : রথযাত্রা, লোকারণ্য, মহা ধুমধাম,ভক্তেরা লুটায়ে পথে করিছে প্রণাম। সনাতন ধর্মের একাধিক উৎসবের মধ্যে অন্যতম হল রথযাত্রা উৎসব।

    আজ ৭ই জুলাই সেই রথযাত্রা উৎসব, উড়িষ্যার পুরীর জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা দেশের মধ্যে অন্যতম, পড়শী রাজ্য ওড়িশার পাশাপাশি বাংলা জুড়েও রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হয় মহাসমারোহের সঙ্গে।

    এদিন রবিবার ৭ই জুলাই পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে রথযাত্রার মধ্য দিয়ে মিলন যাত্রার শুভ সূচনা করা হয়।,

    মেমারি জ্ঞানভারতী বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিদ্যালয়ের ছোট ছোট ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে এদিন রবিবার সকাল সাতটা নাগাদ একটি রথযাত্রা বা ছোটদের মিলন যাত্রা অনুষ্ঠিত হয় মেমারি চকদিঘী রোডের পাশে DVC অফিস সংলগ্ন এলাকায়।

    এদিন ফিতে কেটে এই শুভ রথযাত্রার উদ্বোধন করেন মেমারির বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য, পাশাপাশি রথের দড়িতে টান দিয়ে মেমারি পৌরসভার পৌরপিতা স্বপন বিষয়ী এবং মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালে বিশিষ্ট চিকিৎসক দেবজ্যোতি কুন্ডু নারকেল ফাটিয়ে এই রথযাত্রা অর্থাৎ মিলন যাত্রার শুভ সূচনা করেন ।

    রথযাত্রা উৎসবের উদ্বোধনের শুভ মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ নিত্যানন্দ ব্যানার্জি, মেমারী ১ পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা ও ক্রীড়া কর্মাধ্যক্ষ মৃন্ময় ঘোষ, সমাজসেবী আশীষ ঘোষ দোস্তিদার, সমাজসেবী সেখ সবুর উদ্দিন, সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ।

    মেমারি জ্ঞান ভারতী বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ পবিত্র সিংহ রায় জানান যে এই রথযাত্রা অর্থাৎ মিলন যাত্রা এবছর প্রথম শুরু হল এবং প্রতিবছরই এই রথযাত্রার দিন এই মিলন যাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
    এবং আগামী দিনে রথযাত্রা সামনে রেখে এ মিলন যাত্রা বড় আকার ধারণ করবে এমনটাই আশাবাদী বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ।

    এদিন বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে জগন্নাথ দেবের রথ সাথে নিয়ে পায়ে হেঁটে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয় এবং সেই পদযাত্রা অর্থাৎ মিলন যাত্রা জামালপুর থানার নবগ্রামে বিদ্যালয়ের অপর একটি শাখায় গিয়ে পুজো পাঠের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এবং উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয় যে উল্টো রথের দিন নবগ্রাম থেকে জগন্নাথ দেবকে রথে বসিয়ে পুনরায় একটি মিলন যাত্রা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেই মিলন যাত্রা মেমারির জ্ঞান ভারতী বিদ্যালয়ে এসে শেষ হবে।

    বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকাদের পাশাপাশি এই মিলন যাত্রায় অংশ নিয়েছিল বিদ্যালয়ের ছোট ছোট পড়ুয়ারাও।

    মেমারি জ্ঞান ভারতী বিদ্যালয় এর এমন একটি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছিলেন স্থানীয় বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য সহ উপস্থিত অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গও।