দশটি পরিবার তৃনমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করল সিউড়িতে

 

     

     

    খান আরশাদ, সিউড়ি:

    দশটি পরিবার তৃনমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করল সিউড়িতে। আগামী ২০২৪ এর লোকসভা ভোটকে পাখির চোখ করে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের রণকৌশল ঠিক করে মাঠে ময়দানে অবতীর্ণ হয়েছে। সেইসাথে শুরু হয়েছে ঘর ভাঙা-গড়ার খেলা। এরকমই রবিবার সিউড়ি শুক্লা ভবনে জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রের দুবরাজপুর ও খয়রাসোল ব্লক এলাকার দলীয় নেতৃত্বদের নিয়ে একটি সংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হল এবং সেখানে বীরভূম জেলা কংগ্রেস সভাপতি মিল্টন রশিদের হাত ধরে খয়রাশোল ব্লকের প্রায় দশটি পরিবার তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করেন বলে দাবি কংগ্রেস নেতৃত্বের। এদিনের বৈঠকে দলীয় সংগঠনকে মজবুত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কর্মীদের মধ্যে এলাকা ভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহনের আহ্বান জানানো হয়। দেওয়াল বুকিং থেকে শুরু করে ছোটো ছোটো পাড়া বৈঠকের উপর জোর দেওয়া হয়। রাজ্যের তৃনমূল কংগ্রেস এবং কেন্দ্রের বিজেপির সঙ্গে সমদূরত্ব বজায় রেখে আন্দোলন জারি থাকছে বলে বৈঠকে আভাস দেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। উভয় দলই ধর্মের সুড়সুড়ি দিয়ে ভোট রাজনীতি করছে বলে কংগ্রেসের অভিযোগ। জেলায় কংগ্রেসের দলীয় শক্তি ফিরিয়ে আনার প্রয়াস জারি থাকবে বলে দৃপ্ত কন্ঠে ঘোষণা করেন উপস্থিত জেলা নেতৃত্ব। এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা কংগ্রেস সভাপতি মিল্টন রশিদ, জেলা যুব কংগ্রেস সভাপতি নাসিরুল শেখ, জেলা কার্যকরী সভাপতি চঞ্চল চ্যাটার্জী, সিউড়ি শহর কংগ্রেস সভাপতি মোর্শেদ রেজা, যুব কংগ্রেসের সিউড়ির মহকুমা কার্যকরী সভাপতি সৈয়দ আজাদ ইমাম প্রমুখ নেতৃত্ব। উল্লেখ্য, জাতীয় কংগ্রেসের খয়রাশোল ব্লক সভাপতি হিসেবে জাকির খান এবং দুবরাজপুর ব্লক সভাপতি হিসেবে সেখ আলিমকে সদ্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।