হরিশচন্দ্রপুরে শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দল যেন থামতেই চাইছে না

হরিশচন্দ্রপুরে শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দল যেন থামতেই চাইছে না

 

 

 

নতুন গতি প্রতিবেদক : হরিশচন্দ্রপুরে শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দল যেন থামতেই চাইছে না। শাসক দলের অন্দরে শুরু হয়েছে ক্ষোভ-বিক্ষোভ। এই ক্ষোভ দলের পার্টি অফিস থেকে শুরু করে রাস্তায় এসে পড়েছে। গত সপ্তাহে মালদহের তুলসিহাটা নব-নির্বাচিত অঞ্চল সভাপতিকে নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়ে ছিলেন ওই পঞ্চায়েতের প্রধান, উপ-প্রধান সহ সমস্ত সদস্য। এমন কি পঞ্চায়েত কে নির্দল করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তারপর মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে অযোগ্য লোককে অঞ্চল কমিটিতে জায়গা দেওয়া এবং সক্রিয় কর্মীদের ব্লক ও অঞ্চল কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদেঅবরোধ করেছিল শাসক দলের কর্মী-সমর্থক।

 

এবারে আবার হরিশ্চন্দ্রপুর থানা রশিদাবাদ অঞ্চল সভাপতি করা নিয়ে বিরোধ।এলাকার পার্টি কর্মীদের অভিযোগ ব্লক সভাপতি নিজের ইচ্ছে মত অঞ্চল কমিটি গঠন করেছেন। তার জেরে হরিশচন্দ্রপুর ১ ব্লকের রশিদাবাদ গ্ৰাম পঞ্চায়েত এ বিক্ষোভ। গেটে তালা ঝুলিয়ে তৃনমূলের পতাকা টাঙিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয় তৃনমূল কর্মী নেতারা। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে চলছে বিক্ষোভ। শ্লোগান ” মানিক দাস হটাও, তৃনমূল বাঁচাও”। মানিক দাস হচ্ছেন হরিশচন্দ্রপুর ১ নং ব্লক তৃনমূল সভাপতি। সম্প্রতি ব্লক তৃনমূল কমিটি ঘোষণা করেছে দল। তারপর থেকে শুরু হয়েছে নেতা কর্মীদের অসন্তোষ। বিরোধের সূত্রপাত অঞ্চল সভাপতি জুয়েল আখতার কে নিয়ে। তাকে মানতে চাইছে না কেউই। কারন এক বছরও হয়নি জুয়েল আখতার তৃনমূলে যোগ দেওয়া। তাকে কি করে মেনে নেবেন দলের কর্মী নেতারা। অথচ কারও সাথে আলোচনা না করে জুয়েলকে অঞ্চল সভাপতি করা হয়েছে। এমনই অভিযোগ স্থানীয় তৃনমূল নেতা কর্মীদের। ভোটের মুখে কমিটি গঠনে নেতা কর্মীদের চরম অসন্তোষে বেকায়দায় জেলা ও ব্লক তৃনমূল নেতৃত্ব।

 

১তারিখের এই বিক্ষোভ নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক কিষান কেদিয়া । তিনি জানান আর মাত্র তিন মাস অপেক্ষা তারপর তৃণমূলের অস্তিত্বের অবসান ঘটে যাবে। তাই এখন ক্ষমতার দখল নিয়ে নিজেদের মধ্যেই লড়াই করছে। এই দলটার আর কিছু নেই। এরা নিজেদের মধ্যে লড়াই করে শেষ হয়ে যাবে।