রোদ বৃষ্টি মাথায় করে সোনার ফসল ফলানোর কারিগরের এই মুহূর্তের অবস্থা 

রোদ বৃষ্টি মাথায় করে সোনার ফসল ফলানোর কারিগরের এই মুহূর্তের অবস্থা

 

 

 

 

বাবলু হাসান লস্কর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা : সোনার ফসল ফলিয়ে মানব জাতির সেবায় নিয়োজিত প্রাণের মানুষদের পরিবারের কিছু কথা। মানব জাতিকে যারা বাঁচিয়ে রেখেছে এই মুহূর্তে তাদের পরিবারের দিকে তাকায় না কেউ । এখন তাঁদের করুন অবস্থা। এই নিয়ে আজকের প্রতিবেদন। দিল্লিতে হাজার হাজার কৃষক তাদের ন্যায্য অধিকারের দাবিতে ধরনা মঞ্চ তৈরি করে হাজার হাজার ট্রাক্টর নিয়ে দিল্লির পথঘাট অবরুদ্ধ করেছে। আর অপর দিকে সোনার ফসল ফলাতে শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষার মধ্যেও তারা মাঠে ঘাটে সদা সর্বদায় । আর সেই মতো পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে কৃষকরা তাদের বাঁচার অধিকারে লড়াই-সংগ্রামের মধ্যে তাদের বংশ পরম্পরায় চাষের কাজ করে চলেছেন । চাষীর কথায় প্রতিনিয়ত- দিনের পর দিন যেভাবে বাড়ছে সার ও বীজের দাম। মাটিতে সোনার ফসল ফলিয়ে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় ,আজ তারা দিশেহারা পরিবার-পরিজনদের মুখে দুমুঠো অন্ন তুলে দিতে বংশপরম্পরায় তারা এই পেশার সঙ্গে যুক্ত । তাদের পরিবারের সদস্যদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত না করতে পারলেও দুমুঠো অন্ন তুলে দিচ্ছে। আর সেই দুমুঠো অন্ন তুলে দিতে রোদ বৃষ্টি ঝড়ে তাদের পরিশ্রম আর এই পরিশ্রমের ফসল হিসাবে সোনালী ফসল বাড়িতে তোলার পর বিভিন্ন ভাবে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে চাল গম সবজি কিংবা অন্য কিছু ।একটুখানি অন্নের জন্য তাদের জীবন-জীবিকা । এই সমস্ত পরিবারগুলি এই মুহূর্তে তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম । তার উপরে সার ও বীজ সহ কীটনাশক সরকার ভর্তুকি তুলে দেওয়ায় আজ আকাশছোঁয়া। আর এই আকাশছোঁয়া মূল্যের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে মাঠে মারা যাওয়ার উপক্রম। এমনই চাষীর কথায় উঠে এলো আগে যে জমিতে ১০ থেকে ১৫মণ ধান উৎপাদন হতো এখন সেই জমিতে অনেক কম পরিমাণে উৎপন্ন হচ্ছে। আর তাতেই চিন্তার ভাঁজ পড়েছে চাষীর কিনতে গেলে চড়া দাম, বিক্রির সময় কম দাম। তার উপরে কিট-পোকার আক্রমণ তো লেগেই আছে। কি করবে তারা এই মুহূর্তে বিকল্প কর্মসংস্থানের রাস্তা তাঁদের কাছে নেই তাই সোনালী ফসল ফলানোর লক্ষ্যে তাঁদের এই মুহূর্তের প্রয়াস।