| |
|---|
নতুন গতি, মালদা: এবছর মাধ্যমিকে ৬৮১ নম্বর পেয়ে রাজ্য মেধা তালিকায় দশম রেঙ্ক করে জেলার মুখ উজ্জ্বল করল সায়নিকা দাস। খুশির হাওয়া মালদা জেলায়। সায়নিকা দাস মালদা শহরের ঐতিহ্যবাহী বার্লো গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী। সে এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল। মঙ্গলবার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। মাধ্যমিকের ফলাফলের জন্য সকাল থেকেই টিভি পর্দায় চোখ রেখেছে মা সোনালী বিশ্বাস। মা সোনালী বিশ্বাস মালদা গার্লস স্কুলের শিক্ষিকা।
মালদা শহরে বাড়ি। বাবা অভিজিৎ দাস তখন কাজে ব্যস্ত রয়েছেন পুকুরিয়া থানায় পুলিশের এ এস আই।কোলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলনে পর পর মেধা তালিকায় প্রথম ১০ এর মধ্যে মেধাতালিকা ঘোষণা করা হয়। দশম রেঙ্ক করেছে সায়নিকা দাস এই ঘোষণা হতেই দারুণ উত্তেজিত ও খুশিতে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন মা সোনালী বিশ্বাস ও মেয়ে সায়নিকা দাস। খবর পেয়ে পুকুরিয়া থেকে দ্রুত ছুটে আসেন পুলিশ অফিসার বাবা। সায়ন্তিকা দাস 681 নম্বর পেয়েছে। তার বাংলা- ৯৯, ইংরেজি- ৯৯ , অংক ১০০, ফিজিক্স-৯০ , জীবন বিজ্ঞান- ১০০, ইতিহাস-৯৩ , ভূগোল -১০০ , ভীষণ উজ্জীবিত বাবা অভিজিৎ দাস বলেন, আমি পুলিশে ডিউটি করি। কাজে ব্যস্ত থাকি। সময় সেভাবে দিতে পারিনা। আমার মেয়ের এই ফলাফলের পিছনে বড় অবদান তার মায়ের। মা সোনালী বিশ্বাস বলেন, আমি পড়াশোনা ভালোবাসি। মেয়ের ফলাফলে ভীষণ খুশি হয়েছি।আমি সচেষ্ট থাকি কিভাবে মেয়ে পড়াশোনায় উন্নতিলাভ করবে। ছাত্রী সায়নিকা দাস বলেন ভালো রেজাল্ট হবে আশা করেছিলাম। পড়ার ফাঁকে আমি টিভি দেখি। ক্রিকেট খেলা দেখতে ভালবাসি। ভবিষ্যতে ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। গল্পের বই পড়তে ভালো লাগে। আমার প্রিয় লেখক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। প্রধান শিক্ষিকা দীপশ্রী মজুমদার বলেন, এবার তিনটি মেয়ে স্কুলে ভালো ফল করেছে। বোর্ডে ও করার কথা। তবে সায়নিকা দাস রাজ্যে দশম হওয়ায় স্কুল খুশি। আর সৃজা দাস বকসি নম্বর ৬৭৯ পেয়ে বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় , ৬৭৩ নম্বর পেয়ে যুগ্মভাবে তৃতীয় হয়েছে কারিয়া হোসেন ও প্রেরণা দাস।



