উত্তর প্রদেশের পর এবার বিহারে দলিত তরুণীকে ধর্ষণ

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: এখনও উত্তর প্রদেশের রাস কাটেনি হাতরাসের দলিত তরুণীর ধর্ষণ-মৃত্যু এবং পরবর্তীতে পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে সোচ্চার রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক সব পক্ষই। এই আবহেই ফের আরও এক গণধর্ষণের ঘটনা সামনে এল। বিধানসভা ভোটের মুখে এবর ধর্ষকের ‘উল্লাসমঞ্চ’ বিহার। অভিযোগ, শুক্রবার বিহারের গয়া জেলায় চারজন মিলে এক তরুণীকে ধর্ষণ করেছে। লজ্জায়-অপমানে ওই তরুণী আত্মঘাতী হয়েছেন বলে দাবি তাঁর পরিবারের।

     

    পুলিশ সূত্রে খবর মেয়েটির পরিবার ধর্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছে। অভিযুক্তদের তিনজনের নাম রাহুল কুমার, চিন্টু কুমার, চন্দন কুমার। চতুর্থ জনের পরিচয় জানতে পাওয়া যায়নি,

     

    ধর্ষিতার দেহ ময়নাতন্দন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে গয়া মেডিক্যাল কলেজে। এখনও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসেনি। পুলিশি বয়ান অনুযায়ী হাতরাসের ঘটনার সঙ্গে বিহার ধর্ষণেরও বেশ কিছু সাদৃশ্য আছে। এখানেও ধর্ষিতা নিম্নবর্ণের. ধর্ষকরা সকলেই উচ্চবর্ণের।

     

    বিহারে ইতিমধ্যেই ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। এ মাসের শেষে, ২৮ অক্টোবর বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বিহারে। ইতিমধ্যেই হাতরাস কাণ্ডের ছায়া বিহার ভোটে বিরোধীদের শক্তি দিয়েছে। এরপরে এই রাজ্যেই একই ঘটনা ঘটায় আরজেডি, কংগ্রেস যে এই ঘটনাকেই সামনে রেখে এগোবে তা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়।

     

    প্রসঙ্গত সুশান্ত মৃত্যুও বিহার ভোটে সরকারের পালে হাওয়া দিয়েছিল। রীতিমতো ভোটপ্রচারের হাতিয়ার হয়ে ওঠে জাস্টিস ফর সুশান্ত। কিন্তু এদিন ক্যুপারস হাসপাতাল বা মুম্বই পুলিশের সুরেই এইমস কর্তৃপক্ষ বলছে, সুশান্ত সম্ভবত আত্মহত্যাই করেছেন। তাঁর পেটে কোনও বিষক্রিয়ার চিহ্ন নেই। ফলে সুশান্ত ইস্যুও ভোটের আগে কিছুটা ফিকে হয়ে যেতে পারে। অন্য দিকে গেরুয়া রাজ্যে একের পর এক ন্যক্কারজনক ধর্ষণের ঘটনা পালের হাওয়া কেড়ে নিতে পারে নীতিশ কুমারের প্রশাসনের।