“ভোটের মুখে বিজেপি ভাঙছে ‘ইলেকশন কোর্ড অফ কন্ডাক্ট’, অভিযোগ তৃণমূলের।”

 

    শরিফুল ইসলাম, নতুন গতি : আদর্শ নির্বাচন আচরণ বিধি কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাজনৈতিক দল গুলি যে যার মতন নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। অভিযোগ- পাল্টা অভিযোগের তদন্ত এবং পদক্ষেপ নিতেই ব‍্যতিব‍্যস্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু কিরে তহসিল নির্বাচন আধিকারিক।

    মঙ্গলবার, মহাকাশ গবেষণার সাফল্য নিজে মুখে ঘোষণা করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে ছিল নির্বাচন কমিশনে।

    এবার, তাঁর দল বিজেপির শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির অধীন বাবলা পঞ্চায়েতে দলীয় চিহ্নের সমর্থনে প্রচারে স্থানীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে উঠলো আদর্শ নির্বাচন আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগ।

    এদিন বুধবার, শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির অধীন বাবলা গ্রামপঞ্চায়েতের আড়বলদা ৮৬/৫৩ ও তেঘরী ৮৬/৫২ নম্বর বুথে বিদ্যুৎ মাহাতো, রামু রাজোয়ার, সন্তোষ রাজোয়ার নিজেদের বিজেপির নেতা-কর্মী পরিচয় দিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি , বাড়ি বাড়ি গিয়ে Ministry of Textile Govt. Of India’ র
    নাম করে তাঁত শ্রমিক দের পরিচিতি পত্র বা ‘পহেচনকার্ড’ টাকার বিনিময়ে বিলি এবং বিজেপির প্রার্থীকে পদ্মফুল চিহ্নে ভোট দেওয়ার কথা বলেন বলে অভিযোগ।

    জানা যায়, ইতিমধ্যে , এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য আনন্দ রাজোয়ার ও লতিকা রাজোয়ার শান্তিপুর ব্লক নির্বাচন আধিকারিকের কাছে লিখিত ভাবে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন।

    এর পাশাপাশি, তৃণমূলের যুব’র বাবলা অঞ্চল
    সভাপতি , রানাঘাট মহকুমা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে ওই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগ এনে তদন্ত দাবি করেন।

    নদীয়া জেলা যুব মোর্চার সহ সভাপতি তথা শান্তিপুর ব্লকের বিজেপি নেতা বিপ্লব কর কে এই বিষয়ে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “বিজেপির বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগের কথা জানা নেই। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের সামাজিক প্রকল্পের কার্ড কোনো সংস্থার প্রতিনিধিদের মধ্যমে উপভোক্তাদের পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।

    সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শান্তিপুরের বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য এই প্রতিবেদক কে জানান, ” বিষয় টি অবশ্যই ‘ইলেকশন কোর্ড অফ কন্ডাক্ট ভায়োলেশন’ এর পর্যায়ে পড়ে। নির্বাচন কমিশন তদন্ত করবেন নিশ্চিত।”
    তৃণমূলের বিধায়ক অরিন্দম বাবু আরো বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সার্বিক উন্নয়ন গ্রাম থেকে শহর সকল রাজ্যবাসীকেই স্পর্শ করেছে। বিরোধীরা যা-খুশি করুন, পশ্চিমবঙ্গে তাঁর( মমতা)নেতৃত্বে বিয়াল্লিশ টি আসনেই তৃণমূল প্রার্থী জয়ী হবেন।”