সরকারি হাসপাতালের পরে রক্তদানে নজির গড়লেন বেসরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীরাও

নতুন গতি, মালদা:রক্তদান জীবন বাঁচায়। যাদের রক্তের প্রয়োজন আছে তারা যাতে সময়মত  সুলভে  উৎকৃষ্ট রক্ত পান তা সুনিশ্চিত করতে রক্তদানে সচেতনতা  বাড়াতে হবে। সকলকে রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে, কোভিড আবহে সঙ্কটজনক রোগীকে বাঁচাতে রক্তদাতা হিসেবে এগিয়ে এলেন, মালদাহের নারায়নপুর এর গ্লোক্যাল EHC হাসপাতাল নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালের কর্মীরা।

মালদা থানা এলাকার গ্লোকাল EHC হাসপাতালে সারাদিনে অনেক রকমের রুগী সারাদিন ভর্তী হয় এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। কিন্তু রক্তের যোগান দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে জেলা জুড়ে বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোমগুলোকে। রক্তের জন্য প্রাণও যাচ্ছে, আর এই করোনা পরিস্থিতিতে রক্তদান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সমাজকর্মী রাহুল আলি, স্নেহা জয়সওয়ালরা জানিয়েছেন, শিবির হলেও করোনার ভয়ে সে ভাবে দাতা পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনেক সময়েই প্রয়োজন মতো রক্ত জোগাড় করতে গিয়ে ব্লাড ব্যাঙ্কগুলি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
ওই বেসরকারি হাসপাতালের কর্নাধার সাদ্দাম হোসেন ও তমাল সিন্হা জানান, অনেক কষ্টে একটি বেসরকারি হসপাতালে রুগীর পরিবারকে রক্ত দিতে রাজি হয় ব্লাড ব্যাঙ্ক তবুও শর্তসাপেক্ষে। তারা বলেন যে কোনো গ্রুপের রক্তের বিনিময়ে দাতা দিতে হয় নাহলে রক্তের কার্ড। তাই রক্তের সংকট ঘুচাতে আমরা হসপাতালের কর্তৃপক্ষরা নিজেই রক্তদান শিবিরের উদ্যোগ নিয়েছি আজকে। ২২ জন রক্তদাতা স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। যারা রক্ত দেন তারা সকলেই হসপাতালের কর্মী। তাদের সমস্ত সাহায্য করে “মালদা ব্লাড আর্মি” নামে এক সেচ্ছাসেবী সংঘঠন।

 

 

এ দিন বেসরকারি হাসপাতালের কর্ণধারা রা বলেন, ‘‘সঙ্কটের সময়ে কর্মীরা যে ভাবে রুগীর জন্য রক্ত দিলেন, তার জন্য আমরা গর্বিত।’’

এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মালদা ব্লাড ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।