ফিডিং ইন্ডিয়ার পথচলা শুরু কলকাতাতে, জনা কুড়ি দুঃস্থদের খাওয়ালেন খিচুড়ি

মিজানুল কবির :  দিনটা ছিল সোমবার । সপ্তাহের শুরু ,কার্যত ব্যাস্ত কলকাতার রাজপথ। কোণঠাসা ভিড়ে শহরের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে রওনা দিল দুই ছাত্র নিউ আলিপুরের উদ্দেশ্যে । রাশ্মী দামানী দেবী ততক্ষণে ভাত,সব্জী,খিচুডি এবং রায়তা রান্না শেষ করে ফেলেছেন। খাবার গুলো নিয়ে দে ছুট গন্তব্যস্থল নিমতলা শ্মশান ঘাটের উদ্দেশ্যে রবি মাহাতো এবং কৌশিক পাঞ্জার। অচেনা রাস্তায় কার্যত গুগল ম্যাপকে সঙ্গি করেই পাতাল রেল,অটো অবশেষে হেঁটে হাজির । দেরি হলে পাছে খাবার গুলো ঠান্ডা হয়ে যায় ।ঘেমেটেমে একাকার হয়ে হাজির তারা নিমতলা স্থিত মন্দির প্রাঙ্গনে। মাসি আমরা কিছু খাবার নিয়ে এসেছি আপনাদের জন্য ,দিন থালাগুলো এগিয়ে” ছাত্রদুজন বলে উঠল। খাবার বিতরণ হল । আজ তাহোলে আসি বলে মুখে একরাশ হাসি নিয়ে ভিড়ের মধ্যে মিশে গেলো তারা। হ্যাঁ ঘটনার সুত্রপাত সেদিন দুপুর বেলা । নিউ আলিপুরের শ্রীমতি রাশ্মা দামানী দেবী জানালেন তিনি জনা বিশেকের খাবার রান্না করেছেন। ফোন করলেন ফিডীং ইন্ডিয়া স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কলকাতার দায়িত্তে থাকা নেহা জয়সওয়ালকে। সাথে সাথে হোয়াটাসাপ মারফৎ আপডেট গেলো ফিডিং ইন্ডিয়া কলকাতার স্বেচ্ছাসেবীদের কাছে।

    ঘন্টা দুয়েকের মধ্যে সেই গরম রায়তা ,খিচুড়ী খাওয়ানো হল নিমতলায় মন্দির প্রাঙ্গনের বাইরে থাকা গরিব দুস্থদের। ফিডিং ইন্ডিয়া কলকাতার দায়িত্বে থাকা নেহা জয়সওয়াল জানান ” আমরা কলকাতায় নতুন কাজ শুরু করেছি এভাবে মানুষের পাশে থাকতে পেরে আমরা খুব খুশি ,শহরে  জিরো হাঙ্গারের লক্ষ্যে আমরা এগোতে চায়”। তিনি আরও বলেন ” আগামী ২৩ ই মার্চ আমরা কলকাতার ইকোপার্ক প্রাঙ্গনে ফিডিং ইন্ডিয়া কলকাতার প্রথম কনফারেন্স করতে চলেছি “।