বনভোজন

মোঃ নাওয়াজ শরীফ, নতুন গতি, ফারাক্কা: চড়ুইভাতি, বনভোজন বা পিকনিক যে নামেই ডাকা হোক না কেন শীতকাল এলেই শুরু হয়ে যায় তার তোড়জোড়। তারপর একদিন ভোরবেলায় সদলবলে হুশ করে বেরিয়ে পড়া।

করোনা আবহ কাটিয়ে নতুন আমেজ নিয়ে নতুন বছরে পদার্পণ। আর সেই খুশির আবেগে মেতে উঠেছে গোটা বিশ্ব। বাদ যায়নি সারা দেশ সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা। মহামারীর ভয় কাটিয়ে চড়ুইভাতির আনন্দে মেতে উঠেছে গোটা উত্তরবঙ্গ। যেমন মেতেছে দার্জিলিং-গ্যাংটক, গৌড়-আদিনা-পান্ডুয়া ঠিক তেমনই সেজে উঠেছে মুর্শিদাবাদ জেলার হাজারদুয়ারী আর নেতাজী সুভাষদ্বীপ ও গঙ্গাতট। অধিকাংশ জায়গাগুলোতে ভীড় এড়াতে প্রশাসনিক তরফ থেকে চড়ুইভাতি রান্নার নিষেধ থাকার কারনে ভ্রমনকারীদের নজর কেড়েছে গঙ্গাতট। মুর্শিদাবাদ তো বটেই আশেপাশের জেলাগুলো থেকেও প্রতিদিন হাজারো লোক জমায়েত করে আনন্দে মেতে উঠছে।

পুরো মুর্শিদাবাদ সহ বর্ধমান, মালদা, দিনাজপুরের পর্যটকদের আনাগোনাও চোখে পড়ার মতো। বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, টিউশন সেন্টার, ফ্যামিলি চড়ুইভাতির পাশাপাশি এদিন দেখা গেলো মালদা জেলার নয়মৌজা হাইস্কুলের মাধ্যমিক ২০০৯ সালের মিশন মিলাপ টিমকে। সুদুর সুজাপুর থেকে বাসভর্তি বন্ধুদের ১০ বছর পরে একত্রিত হয়ে আনন্দে মেতে উঠতে দেখা গেলো। দীর্ঘকাল পরে সকলে মিলে আনন্দে মেতে উঠতে দেখা গেলো। চারিদিকে বিরিয়ানী আর সুস্বাদু মাংসের সুগন্ধে মাতোয়ারা পরিবেশ।